মোবাইল দিয়ে ১-২ মিনিটের একটি সাধারণ ভিডিও তুললেও তা প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে ১৬ মেগাবাইট (সাধারণ মিডিয়া) এবং জিমেইলে ২৫ মেগাবাইটের বেশি ফাইল পাঠানো অসম্ভব।
সঠিক নিয়ম না জেনে ভিডিও কম্প্রেস করলে ভিডিও ফেটে যায় ও ঝাপসা দেখায়। কিন্তু উপযুক্ত বিটরেট ও রেজোলিউশন ঠিক করে নিলে ভিডিও পরিষ্কার রেখেই সাইজ ৮০% পর্যন্ত কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
স্মার্টফোনের ভিডিও এত বিশাল সাইজের হয় কেন
ভিডিওর আকার নির্ধারিত হয় এর দৈর্ঘ্য, ভিডিও বিটরেট, অডিও বিটরেট এবং রেজোলিউশনের ওপর। বিটরেট সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করলে ভিডিওর মান প্রায় অপরিবর্তিত রেখেই ৭০% থেকে ৯০% সাইজ কমানো যায়।
কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই ভিডিও সাইজ কমানোর ৩ ধাপ
SizePress আধুনিক WebCodecs ও WebAssembly প্রযুক্তির সাহায্যে আপনার কম্পিউটারের প্রসেসর ব্যবহার করে কাজ করে, তাই ভিডিও ইন্টারনেটে আপলোড হওয়ার অপেক্ষা করতে হয় না।
ভিডিও ফাইল নির্বাচন করুন
আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে MP4, MOV বা WebM ভিডিও নির্বাচন করুন।
প্রয়োজনের মোড বেছে নিন
হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট (২৫ মেগাবাইটের নিচে) প্রিসেট সিলেক্ট করুন।
হালকা ভিডিওটি সেভ করুন
প্রসেসিং শেষ হলে কম্প্রেস করা ভিডিওটি ডাউনলোড করে স্বাচ্ছন্দ্যে শেয়ার করুন।
হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমেইলের ভিডিও সাইজ সীমা
নিচের টেবিলে বিভিন্ন জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও ফাইল সীমা এবং আমাদের প্রস্তাবিত সেটিংস দেখানো হলো।
| প্ল্যাটফর্ম | সর্বোচ্চ ফাইল সাইজ সীমা | প্রস্তাবিত রেজোলিউশন | টার্গেট বিটরেট |
|---|---|---|---|
| WhatsApp (সাধারণ চ্যাট) | ১৬ MB | 720p (1280x720) | ১.৫ – ২.০ Mbps |
| WhatsApp (ডকুমেন্ট হিসেবে পাঠানো) | ২০০০ MB (২ GB) | 1080p (1920x1080) | ৩.০ – ৫.০ Mbps |
| Gmail ও Yahoo ইমেইল | ২৫ MB | 720p অথবা 1080p | ২.০ – ২.৫ Mbps |
| Telegram Messenger | ২০০০ MB (২ GB) | 1080p | ৩.৫ – ৬.০ Mbps |
| Discord (ফ্রি অ্যাকাউন্ট) | ১০ MB | 720p | ১.২ – ১.৮ Mbps |
ভিডিওর স্পষ্টতা ও হালকা সাইজের দারুণ বিটরেট অনুপাত
ফোনের স্ক্রিনের জন্য ১০৮০p রেজোলিউশনে ২.৫–৩.৫ Mbps বা ৭২০p-তে ১.৫ Mbps বিটরেট অত্যন্ত স্পষ্ট ছবি এবং খুবই হালকা সাইজ উপহার দেয়।
- ৪K ভিডিওকে ১০৮০p-তে পরিবর্তন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ৭৫% সাইজ কমে যায়।
- সব ধরনের ডিভাইসে প্লে হওয়ার জন্য MP4 (H.264 কোডেক) ফরম্যাট বেছে নিন।
- স্পষ্ট কথার আওয়াজ ও হালকা সাইজের জন্য অডিওতে AAC ১২৮ kbps বজায় রাখুন।
- কম্প্রেস করার আগে ভিডিওর শুরুর বা শেষের অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলুন।
ব্যক্তিগত ভিডিওর পূর্ণ নিরাপত্তা: ব্রাউজারের ভেতর এনকোডিং
আপনার ডিভাইস থেকেই সবকিছু প্রক্রিয়াকৃত হয় বলে পারিবারিক বা অফিসের গোপনীয় ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস হওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।